নিজস্ব প্রতিবেদক: এখনো সন্ত্রাসী কমকান্ডের নেতৃত্ব দোওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের ২৩ নং ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ আহমেদ তানিম এর উপর।ঘনিষ্ঠ কর্মীদের কাছ থেকে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়।তার নেতৃত্বে ও প্ররোচনায় ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের নেপথ্যে বেরিয়ে আসছে ভয়ংকর সব তথ্য। তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, তৌহিদ আহমেদ তানিম সবসময় নিজের সাথে আগ্নেয়াস্ত্র রাখতেন এবং তার নিজস্ব একটি ক্যাডার বাহিনী ছিল। গত ৩১ জুলাইয়ের হামলায় তার নেতৃত্বে ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। ৫ আগস্টের পরও সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগের যত নাশকতামূলক কার্যক্রম হয়েছে, তার সবগুলোর মূল মাস্টারমাইন্ড হিসেবে তৌহিদ আহমেদ তানিম নাম উঠে আসছে।
মূলত তৌহিদ আহমেদ তানিম আগেই টের পান আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলে,তার অপকর্ম ডাকতেই তিনি পালিয়ে বিদেশে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।বিদেশে গিয়েও তিনি বসে নেই,সেখান থেকেই তার অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করেন বলে গুজ্জন রয়েছে।সিলেটে তার বড় ধরনের একটি সিন্ডিকেট রয়েছে,চাঁদাবাজি,দখলদারিত্ব,ফুটপাত দখল,ইত্যাদি নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
তৌহিদ আহমেদ তানিম তিনি আগেই বুঝতে পারে আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলে তার শেষ রক্ষা হবে না,তাই তিনি আগেই দেশ থেকে পালিয়ে যান বলে গুজ্জন রয়েছে।কিন্তু ওয়াসআপ,টেলিগ্রাম কৌশল পরিবর্তন করে তিনি গড়ে তুলেছেন অনলাইন ভিক্তিক সাইবার অপরাধ।ছাত্রলীগের ক্যাডারকে তিনি দেশে নাশকতার প্রশিক্ষণ দিতে সহয়তা করার অভিযোগ রয়েছে, মৃলত তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির পাশাপাশি আওয়ামীলীগের গোপন সংগঠন সিআরআইয়ের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।৫ আগষ্টের পর ধানমন্ডি এলাকায় সিআরআইয়ের অফিসেও আগুন হামলা,ভাংচুর ও লুটপাট হয়।
তখন অনেক তথ্য চুরি হয়,সিআরআইনের একাধিক সদস্যদের সন্ধান পায় পুলিশ।৫ আগষ্টের পর থেকে ওয়াসআপ টেলিগ্রামে সক্রিয় থেকে সংগঠনটি আবার ও নাশকতার ছক আগে।এরই ধারাবাহিকতায় সিলেটে ঝটিকা মিছিল ও হয়েছে,মিছিল থেকে পুলিশ অনেককে গ্রেফতার করেছে,কেউ কেউ তৌহিদি ছাত্র জনতার মবের শিকার হয়ে মৃ-ত্যু বরণ করেন।অনেক নারীরাও মবের শিকার হয়েছেন।তৌহিদ আহমেদ মৌলবাদী শক্তির টার্গেটেও রয়েছেন।দেশে পেলে তার করুণ পরিনতি ঘটতে পারে।তার কারণে নিকট আত্মীয় স্বজন ও আত্মগোপনে ও ভয়ে রয়েছেন।