নিজস্ব প্রতিবেদক: সুদিপ্ত শর্মার সঙ্গে থাকতো অবৈধ অস্ত্র: ঘনিষ্ঠ কর্মীদের কাছ থেকে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়।বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক সুদিপ্ত শর্মার নেতৃত্বে ও প্ররোচনায় ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের নেপথ্যে বেরিয়ে আসছে ভয়ংকর সব তথ্য। তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, সুদীপ্ত শর্মা সবসময় নিজের সাথে আগ্নেয়াস্ত্র রাখতেন এবং তার নিজস্ব একটি ক্যাডার বাহিনী ছিল। গত ৩১ জুলাইয়ের হামলায় তার নেতৃত্বে ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে। ৫ আগস্টের পরও পল্টন এলাকায় ছাত্রলীগের যত নাশকতামূলক কার্যক্রম হয়েছে, তার সবগুলোর মূল মাস্টারমাইন্ড হিসেবে সুদীপ্ত শর্মার নাম উঠে আসছে।
মূলত সুদীপ্ত শর্মা আগেই টের পান আওয়ামীলীগ সরকার পড়ে যাবে,তাই তার অপকর্ম ডাকতেই তিনি পালিয়ে বিদেশে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।বিদেশে গিয়েও তিনি বসে নেই,সেখান থেকেই তার অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করেন বলে গুজ্জন রয়েছে।ঢাকায় তার বড় ধরনের একটি সিন্ডিকেট রয়েছে,চাঁদাবাজি,দখলদারিত্ব,ফুটপাত দখল,ইত্যাদি নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
সুদীপ্ত শর্মা তিনি আগেই বুঝতে পারে আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলে তার শেষ রক্ষা হবে না,তাই তিনি আগেই দেশ থেকে পালিয়ে যান বলে গুজ্জন রয়েছে।কিন্তু ওয়াসআপ,টেলিগ্রাম কৌশল পরিবর্তন করে তিনি গড়ে তুলেছেন অনলাইন ভিক্তিক সাইবার অপরাধ।ছাত্রলীগের ক্যাডারকে তিনি দেশে নাশকতার প্রশিক্ষণ দিতে সহয়তা করার অভিযোগ রয়েছে, মৃলত তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির পাশাপাশি আওয়ামীলীগের গোপন সংগঠন সিআরআইয়ের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।৫ আগষ্টের পর ধানমন্ডি এলাকায় সিআরআইয়ের অফিসেও আগুন হামলা,ভাংচুর ও লুটপাট হয়।
তখন অনেক তথ্য চুরি হয়,সিআরআইনের একাধিক সদস্যদের সন্ধান পায় পুলিশ।৫ আগষ্টের পর থেকে ওয়াসআপ টেলিগ্রামে সক্রিয় থেকে সংগঠনটি আবার ও নাশকতার ছক আগে।এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীতে অনেক ঝটিকা মিছিল হয়েছে,মিছিল থেকে পুলিশ অনেককে গ্রেফতার করেছে,কেউ কেউ তৌহিদি ছাত্র জনতার মবের শিকার হয়ে মৃ-ত্যু হয়।অনেক নারীও মবের শিকার হয়েছেন।সুদীপ্ত শর্মা বিভিন্ন মৌলবাদী শক্তির টার্গেটেও রয়েছেন।দেশে পেলে তার করুণ পরিনতি ঘটতে পারে।তার কারণে নিকট আত্মীয় স্বজন ও আত্মগোপনে ও ভয়ে রয়েছেন।