নিজস্ব প্রতিবেদক : এটিএম ফয়ছল – দৈনিক সীমান্ত বাংলাদেশ। রামিসা ও ফাহিমার ঘা-ত-ক জাকির হোসেন উরফ সোহেল রানা ও ফাহিমা ঘা-ত-ক জাকির দুটি শি*শু*কে ধ-র্ষ-ন ও হ-ত্যা-র আগে ইয়াবা সেবন করে বলে জানা গেছে,কেন এই ইয়াবা সেবন,তাহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে ইয়াবার নেশায় বুঁ’দ হয়ে শিশুদের ধ*র্ষ*ন করছে চা-ই-ল্ড রে*পি*স্ট*রা!
এই দেশকে যতদিন পর্যন্ত মাদক পুরোপুরি ভাবে নির্মূল করা যাবে না ততদিন পর্যন্ত রামিসা ও ফাহিমার মত শি*শু ধ*র্ষি-ত ও হ-ত্যা*র শিকার হতে পারে? অপরাধ ও সমাজ বিশ্লেষকরা মনে করেন মাদকের ভয়াল থাবা আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ডুকে গেছে দিন দিন এই সিন্ডিকেটের সাথে নতুন মানুষ যুক্ত হচ্ছে,এখনই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
মরণনেশা মাদকের নেশায় পড়ে,খরচ যোগাতে বাড়ছে,চুরি,ডাকাতি,জুয়া সহ নানা অপরাধ আর এসবের মূল কারণ হল মাদক।মাদকাসক্ত পরিবার ও ছেলের সাথে মেয়ে বিয়ে দিয়ে বহু পরিবার হারাচ্ছেন ইজ্জত ও ভাঙছে সংসার,অনেক মেয়ের জীবন তছনছ হয়ে যাচ্ছে।
মরণনেশা ‘ইয়াবা’ মূলত মেথামফেটামিন এবং ক্যাফেইনের একটি মারাত্মক ক্ষতিকর মিশ্রণ। এটি সেবনের ফলে মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসরণ বেড়ে যায়, যা সাময়িক উচ্ছ্বাস তৈরি করলেও দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়।
ইয়াবার প্রধান কুফলগুলো নিচে দেওয়া হলো,মানসিক ও স্নায়বিক ক্ষতি,হতাশা ও মানসিক বিকার,সাময়িক উত্তেজনার পর প্রচণ্ড হতাশা ও বিষণ্ণতা দেখা দেয়।
ভীতি ও মানসিক রোগ,দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে প্যারানিয়া (অযৌক্তিক ভয়) ও হ্যালুসিনেশন (অবাস্তব কিছু দেখা বা শোনা) দেখা দেয় এবং ধীরে ধীরে রোগী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে।
ঘুমের সমস্যা-স্নায়ুকে অতিরিক্ত উত্তেজিত করে রাখার ফলে স্বাভাবিক ঘুম নষ্ট হয়ে যায় এবং তীব্র অনিদ্রা দেখা দেয়।শারীরিক ক্ষতি,হৃদরোগ ও রক্তচাপ: অতিরিক্ত উত্তেজনার ফলে উচ্চ রক্তচাপ,বুক ধড়ফড় করা এবং স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।
প্রথম দিকে সাময়িক উত্তেজনা বাড়লেও, ধীরে ধীরে যৌনক্ষমতা পুরোপুরি বিনষ্ট হয় এবং সন্তান জন্মদানের সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়।ক্ষুধা ও ওজন হ্রাস,ক্ষুধা লাগার অনুভূতি কমে যায়,যার ফলে দ্রুত ওজন হ্রাস পায় এবং শরীর অপুষ্টিতে ভোগে।
অন্যান্য ক্ষতিকর প্রভাব-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।মস্তিষ্কের কোষের মৃ*ত্যু,স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ইয়াবার কারণে ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটে।
এই মাদক সেবনের ফলে অনিদ্রা হয়,তখন সাধারণ মানুষের ব্রেইন ঠিকমতো কাজ করে না,উগ্র,উত্তেজিত ও বি-কৃ-ত মনস্ক হয়ে পড়ে,ভালমন্দ বুঝার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এর ফলে এহেন পরিস্থিতিতে যে কোন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
কিন্তু দিন দিন মাদকের ব্যবহার বাড়ছে,মাঝে মধ্যে মাদকব্যবসায়ীরা ধরা পড়ে,কয়েকদিন জেল খেটে বের হয়ে পুনরায় ব্যবসা শুরু করে।অনেকেই এটাকে লাভজনক ও সহজে বড় লোক হওয়ার ধান্দা মনে করেন।অনেক নারীরা ও মাদক বিক্রির সাথে যুক্ত হচ্ছে।
এখন ও রাজধানীর কিছু কিছু রেললাইনের পাশে প্রকাশ্যে মাদকের হাট বসে,এই সব জায়গা দিয়ে হাটলে যে কাউকে মাদক কিনার অফার করে।লোকমুখে শুনা গেছে এসব জায়গায় প্রশাসন যেতে ও ভয় করে,হামলার ভয়ে এখানে সাংবাদিকরা ও যায় না।
সারাদেশে মাদকের নৈরাজ্য চলছে,এখন আর শুধু প্রশাসন দ্বারা হবে না প্রত্যেক সচেতন নাগরিককে ও এগিয়ে আসতে হবে এবং ধাপে কাজ শুরু করতে হবে পরবর্তী পোস্টে বিস্তারিত আরো আপডেট আসবে?